আমাদের কথা
প্রধান শিক্ষকের বাণী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হল সমাজ তথা জাতির প্রাণ। প্রাণহীন দেহের যেমন কোন মূল্য নেই, তদ্রুপ শিক্ষা ছাড়া কোন সমাজ বা জাতি মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হতে পারে না। যে জাতির মাঝে জ্ঞানচর্চা কম, তারা পর্যায়ক্রমে পিছিয়ে পরছে এবং যার পরিণতি অত্যন্ত কiæণ ও ভয়াবহ। এ সত্যকে বিবেচনায় রেখে পূর্ণমতি মনসূর আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাধ্যমে আধুনিক ও সৃজনশীল পাঠদান করে আসছি। যার ফলে, অত্র বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী জাতীয় পর্যায়ে পৌছে দেশের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে আসছি। আমি অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে বিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছি। আমি আমার কর্তব্য সম্পাদনের লক্ষ্যে পৌছার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। ধন্যবাদান্তে- প্রধান শিক্ষক
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
বিদ্যালয়ের ইতিহাসঃ- কুমিল্লা শহর থেকে প্রায় ১৫ কি.মি. উত্তরে গোমতী নদী বিধৌত ছায়া সু-নিবিঢ় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মন্ডিত বুড়িচং উপজেলাধীন পূর্ণমতি গ্রামের বুক চিড়ে অতিবাহিত (কুমিল্লা-মিরপুর) মেজর আবদুল গণি সড়কের পশ্চিম পাশে ঐতিহ্যবাহী ও সগেৌরবে মাথা উচু করে দাড়িয়ে আছে পূর্ণমতি মনসূর আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়। প্রায় অর্ধ শতাব্দীকাল ধরে এ বিদ্যালয়টি পূর্ণমতি ও এর আশপাশের গ্রামের জনগনের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে। বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৬৫খ্রি:। প্রায় ৬৮শতক জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যালয়ের মূল আং্গিনার পশ্চিম পাশে শিক্ষা প্রকেৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক ১৯৯৫-৯৬ অর্থ বছরে নির্মিত তিন কক্ষ বিশিষ্ট একটি একতলা ভবন যা পরবর্তীতে সরকারি অর্থায়নে এক কক্ষ বর্ধিত করা হয়েছে।উত্তর পাশে বিদ্যালয়ের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত ৬ কক্ষ বিশিষ্ট একটি আধাপাকা টিনসেট ভবন রয়েছে। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে দক্ষিণ পাশে সরকারি অর্থায়নে ৪ তলা ফাউন্ডেশনসহ তিন কক্ষ বিশিষ্ট একটি একতলা ভবন নির্মিত হয়েছে। ভবন গুলোর মধ্যমনি হিসেবে রয়েছে বিদ্যালয়ের আংগিনা, যেখানে প্রতিনিয়ত সমাবেশ (ক্লাশ পরিচালনা)সহ শিক্ষার্থীদের শারীরিক কসরত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খেলা-ধূলা পরিচালনা করা হয়। আমার জানামতে, এ বিদ্যালয়ের সর্বপ্রথম স্বপ্ন দেখেছিলেন অত্র গ্রামের সর্বজন শ্রদ্ধেয় বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব জনাব মনসূর আহমদ পন্ডিত। উল্লেখ্য যে, তিনি ছিলেন একই আংগিনার পূর্বপাশে অবস্থিত ১৯৩৯খ্রি: প্রতিষ্ঠিত পূর্ণমতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্বনামধন্য, অত্যন্ত বিজ্ঞ ও দূরদর্শী জ্ঞান সম্পন্ন একজন শিক্ষক। তিনি ভাবলেন এলাকার জনগণের জীবন মান উন্নয়নের জন্য এলাকাবাসীকে শিক্ষিত করে গড়ে তোলার বিকল্প নেই। আর এ জন্য অত্র গ্রামে একটি উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপন করা অত্যন্ত জরুরী। এ লক্ষে তিনি তার মনের ইচ্ছার কথা সর্ব প্রথম প্রকাশ করেন তার কর্মস্থলের প্রধান শিক্ষক অত্র উপজেলার সাদকপুর গ্রামের জনাব আবদুল আউয়ালের নিকট। তিনি তাকে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তারপর তিনি তার ইচ্ছার কথা গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অবহিত করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৬৪ খ্রি: এর ঈদুল ফিতরের দিন দড়িয়ারপাড় ঈদগাহে ঈদের নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে পূর্ণমতি উত্তরপাড়ার জনাব মরহুম ইউছুফ আলীর বাড়িতে এক চা চক্রের আয়োজন করা হয়। এখানে সে সময়ে উপস্থিত ছিলেন উক্ত চা চক্রের আয়োজক জনাব ইউছুফ আলী, অত্র গ্রামের মরহুম জনাব এডভোকেট নওশের আহমেদ, জনাব কে.বি. ফরিদ উদ্দিন আহমদ, মরহুম জনাব আবদুস ছাত্তার, মরহুম জনাব আবদুল আজিজ ভূইয়া, মরহুম জনাব আবদুল অদুধ ভূইয়া, মরহুম জনাব আবদুলগফুর মেম্বার, মরহুম জনাব আবদুল হালিমসহ আরো অনেকে। উক্ত বৈঠকে জনাব ফরিদ উদ্দিন আহমদ স্কুল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে তাহার পিতার আগ্রহের আলোচনা করেন। উত্থাপিত বিষয়ে উপস্থিত গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিস্তারিত আলোচনার পর পূর্ণমতি জুনিয়র স্কুলের রূপরেখা তৈরি করেন। উক্ত বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কিছুদিন পর জনাব এডভোকেট নওশের আহমদের নেতৃত্বে গ্রামবাসীকে নিয়ে একটি সাধারণ সমাবেশ করে উক্ত স্কুল প্রতিষ্ঠার ঘোষনা দেয়া হয়। উক্ত বৈঠকেই প্রতিষ্ঠানের নামকরণ বিষয়ে আলোচনায় বিদ্যালয়টির নামকরণ করা হয় সর্বজন শ্রদ্ধেয় এবং প্রতিষ্ঠানের স্বপ্নদ্রষ্টা জনাব মনসূর আহমদ স্যারের সম্মানে পূর্ণমতি মনসূর আহমদ জুনিয়র স্কুল।যা ১/১/১৯৭৪ খ্রি: পূর্ণমতি মনসূর আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়ে স্বীকৃতি লাভ করে।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
বিদ্যালয়ের জেএসসি ও এসএসসি পরিক্ষার ফলাফল ১০০% নিশ্চিত করণ। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার গুণগত মান বৃদ্ধিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। বিদ্যালয়ের গুনগত মান বৃদ্ধি করা। বিদ্যালয় সুন্দর ও সু-সৃঙ্খল ভাবে পরিচালনা করা। শিক্ষক ও অভিভাবক এর মতামতেন ভিত্তিতে শিক্ষার্থীর ও শিক্ষার মান উন্নয়ন করা।
Institute Location Google Map
সংবাদ ও ঘটনাবলী
https://youtu.be/4dyrW7BzfbI